এঘটনাটি ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের নামোটিকোরী গ্রামে জমির আলীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এঘটনাটিকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ প্রদান ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতির পর তড়িঘড়ি করে নোটিশ জারির বিষয়টিও আলোচনা চলছে।
জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে মোবারকপুর ইউনিয়নের নামোটিকোরী গ্রামের আনেস আলীর ছেলে জমির আলীর বাড়িতে
বিদ্যুৎ অফিসের ৬/৭ জন বিদ্যুৎ অফিসের কর্মী এসে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে চলে যান।
ভুক্তভোগী জমির আলী অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগের বিল কোনো ধরেন বকেয়া নাই। তারপরও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আমরা পুরুষ মানুষ বাসায় ছিলাম না। আমাকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে অফিস থেকে কোন নোটিশও করেননি।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) কোনো নোটিশ ছাড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ কেনো বিচ্ছিন্ন করা হলো এ বিষয় জানতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির শিবগঞ্জ জোনাল অফিসে যোগাযোগ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানা নাই বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুধবার (১৪ অক্টোবর) পর্যন্ত গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে সময় চান।
এদিকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) কোনো নোটিশ ছাড়া একটি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেনো বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে তা আবারও জানতে গেলে কর্তৃপক্ষ জানায়, গত মঙ্গলবার জমির আলীকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নোটিশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে শিবগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিপুটি জেলারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস তড়িঘড়ি করে ভুক্তভোগী জমির আলীকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের একটি নোটিশ জারি করেন। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের ৭দিন পরে কেনো আর কি়ভাবে নোটিশ করতে পারেন, এবিষয়ে জানতে জানলে, এব্যাপারে আর কোন মন্তব্য নাই বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি।