

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফের জন্য রাজনীতি করে। সাধারণ জনগণের জীবনে মান-উন্নয়নের কাজ করে। আর বিএনপি ঘুষ, লুটপাট, চাঁদাবাজ, দূর্নীতি ও মামলা বাণিজ্যে ব্যস্ত। তারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগের নারীদের শারীরিক সহ বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করছে। তারাই নাকি আগামীতে সরকার গঠন করবে। শুধু এদেশে যারাই সরকার গঠন করেছে, তারাই দূর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি করেছে। আমরা চাই ন্যায় আর ইনসাফের দেশ গড়তে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে বিএনপি মনে করছে, তারা ক্ষমতায় চলে এসেছে। শুধু তাই নয়, ফ্যামিলি কার্ড আর কৃষি কার্ডের নামে ভাউতা বাজির কথা নিয়ে জনগণকে প্রলোভন দেখাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সারের জন্য কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছে। বিএনপি সরকার থাকাকালে বিদ্যুতের ঘাটতি হয়। আর আজ বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে ভাউতা বাজি মন্তব্য করছেন।
ড. কেরামত আলী আরো বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ উদ্যোক্তা গড়ে তোলা এবং কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, নতুন রেললাইন স্থাপন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এছাড়াও পদ্মা নদীর ভাঙন রোধ, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার ও স্থলবন্দর আধুনিকায়নের পরিকল্পনার কথা বলেন। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।
পর্যটন শিল্পের বিকাশ, সংস্কৃতির প্রসার, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরেন ডা. কেরামত আলী।
শিবগঞ্জ উপজেলা শাখা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ সাদিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন শহীদ আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদদের সন্তান আলী আহমাদ মাবরুর।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, দলীয় কর্মী-সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।