1. kansatnews24@gmail.com : Md Emran : Md Emran
  2. sobuj033@gmail.com : sobuj :
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::

শিবগঞ্জে জামায়াতে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. কেরামত আলীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের বাখরোলী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জামায়াত নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিএনপি কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে।

অত্র আসনের জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মাওলানা সাদিকুল ইসলাম জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিবগঞ্জের মানুষ দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে উন্মুখ। এতে বিএনপি প্রার্থীর সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই বিভিন্ন জায়গায় জামায়াত কর্মীদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাহিদুর ও সেক্রেটারি মাসিরের নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি দল অতর্কিত হামলা চালিয়ে বিনোদপুর বাখরোলী বাজারে অবস্থিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। এ সময় শতাধিক চেয়ার ভাঙচুরসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয় এবং কয়েকজন কর্মী আহত হন।

বিনোদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মো. রেজাউল করিম বলেন, পথসভার ঠিক আগমুহূর্তে সন্ত্রাসী কায়দায় এ হামলা চালানো হয়। পরে ড. কেরামত আলী জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ব্যালটে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনী পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের জামায়াত প্রার্থী ড. কেরামত আলী নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে নির্বাচনে ব্যালটে দাড়িপাল্লার বিজয়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার আহবান জানান। তিনি শান্তিকামী জনতাকে সন্ত্রাস প্রতিরোধের আহবান জানান। এবং শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে তাদের হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ( শিবগঞ্জ) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক শাহজাহান মিঞার সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নিজে ফোন রিসিভ করেননি। তার সঙ্গে থাকা একজন ব্যক্তি ফোনে জানান, “স্যার খুব টায়ার্ড আছেন, এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে কথা বলবেন।” অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক শাহজাহান মিঞার বক্তব্য প্রয়োজন।এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ফোন সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেন, “আমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2026 KansatNews.com
Theme Customized BY Glosiyo.com

You cannot copy content of this page