মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

শিবগঞ্জে দীর্ঘদিন এসিল্যান্ড না থাকায় ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৮৭ বার পঠিত

প্রায় আড়াই দুই মাস থেকে শিবগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি অন্যান্য পদ শুন্য থাকায় উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৮লাখ মানুষ ভূমি সংক্রান্ত সেবা থেকে বঞ্চিত আছে। নামজারি জমা খারিজের জন্য আবেদনের হাজার হাজার ফাইলের স্তুপ জমে আছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জনগণ।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৩ অক্টোবর মাস থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বরমান হোসেন পদোন্নতি হয়ে অন্যত্রে বদলি হওয়ায় পদটি শুন্য আছে। তারপর থেকে এ অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এছাড়াও উপজেলা ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে কানুনগো না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন জমির মালিকেরা। নামজারি জমা খারিজের অভাবে জমি বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। জমির মালিকেরা প্রায় ৪-৫ মাস আগে নামজারি জমাখারিজের আবেদন করেও এখন পর্যন্ত জমির নামজারি জমা খারিজ করতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

চিকিৎসা, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াসহ নানা জরুরি কারণে নগদ টাকার একান্ত প্রয়োজন হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র নামজারি জমা খারিজের কারণে জমি বিক্রি করতে পারছেন না অনেক জমির মালিক। কবে নাগাদ জমাখারিজ হবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না ওই অফিসের কেউই। কয়েকটি ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এসিল্যান্ডের পদটি খালি থাকায় জন সাধারণ জনগণের অনেক ফাইল আটকে আছে।

গত কয়েক মাস ধরে ভূমি সংক্রান্ত বহু মামলার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। জমির নামজারি জমা খারিজের প্রায় দুই হাজার আবেদন জমে আছে অফিসে। এগুলো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর না হওয়ায় আবেদকারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিমুল আকতার জানান, উপজেলায় নতুন যোগদান করছি। এসিল্যান্ডের শূন্য পদ পূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ads

 

Copyright © All rights reserved © 2019 Kansatnews24.com
Theme Developed BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!