শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাচোলে র‌্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ ভেজাল ঔষুধসহ আটক-৪ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন : কেটে নেয়া হয়েছে চুল শিবগঞ্জে নারী ধর্ষণ-নির্যাতন বিরোধী র‌্যালি-আলোচনা সভা শিবগঞ্জে ভাড়া চাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ গোমস্তাপুরে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভোলাহাটে বিট পুলিশের র‌্যালি ও সমাবেশ গোমস্তাপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন গোমস্তাপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ খেলা অনুষ্ঠিত ভোলাহাট ইউএনও’র উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ফুলের শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই এত অল্প সময়ে রায় : নোমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১২৮ বার পঠিত

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে ১৬ আসামি সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

চার মাসের বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দিন ধার্য করেন। হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস ১৭ দিনের মাথায় আদালতের ৬১ কর্মদিবসে রায়টি ঘোষণা করা হল।

আদালতের ঘোষিত রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে নুসরাতের পরিবার।

আইনজীবীরা বলছেন, এত দ্রুত সময়ে কোনো রায় নিষ্পত্তি হওয়ার নজির বাংলাদেশে নেই।

মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন বলেই এত দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে।’

নোমান আরো বলেন, ‘অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়— এটা আবার প্রমাণ হল।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন বলেই আমরা এখনো টিকে আছি। তিনি নিজে আমাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। আমার বোন হত্যার বিচারের দায়িত্ব তিনি নিজে নিয়েছেন। তার আন্তরিকতার কারণেই সর্বস্তরের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। আমাদের পুরো পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।’

নোমান আরো বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাবো রায় যেমনিভাবে দ্রুত সময়ে হচ্ছে, তেমনিভাবে কার্যকরটাও যেন দ্রুত হয়।’

উল্লেখ্য, সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী নুসরাত গত ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসাকেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে তার মায়ের শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেওয়ায় তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৮ এপ্রিল নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মারা যান। এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে মামলা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

 

Copyright © All rights reserved © 2019 Kansatnews24.com
Theme Developed BY Sobuj Ali
error: Content is protected !!