শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

আরো কঠিন হলো আমেরিকার গ্রিন কার্ড পাওয়া

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩৩ বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে গরিব বৈধ অভিবাসীদের ওপর এবার খড়গহস্ত হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়ানো কিংবা গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন করা হচ্ছে।

ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্ব পাওয়ার নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। এই নিয়মে স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য বা গৃহায়ণের জন্য সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বহিরাগতদের গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে। গ্রিন কার্ড যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য বৈধ অনুমোদন। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পাঁচ বছর পরে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যায়।

সোমবারই এমন ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে। এর আওতায় যে অভিবাসীরা পর্যাপ্ত আয় দেখাতে পারবেন না কিংবা সরকারি সাহায্যর ওপর নির্ভর করবেন তাদের সাময়িক কিংবা স্থায়ী ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে।

এমনকী যে অভিবাসীরা ভবিষ্যতে সরকারি সাহায্যের দ্বারস্থ হতে পারেন বলে সরকার মনে করবে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকাও বন্ধ করা হবে। আর যারা এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তারা গ্রিন কার্ড কিংবা মার্কিন নাগরিকত্ব পাবেন না।

তবে যে অভিবাসীরা ইতোমধ্যেই গ্রিনকার্ড পেয়ে গেছেন তাদের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ১০ মাস আগেই জানিয়েছিল এ রকম নীতিমালা চালু হবে। সে সময় বিভিন্ন মহলে আপত্তি ওঠে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তা কেন কুচিনেলি বলেন, ‘আমরা চাই এমন মানুষ এ দেশে স্থায়ী বসবাসের জন্য আসুন, যারা নিজেদের খরচ বহন করতে পারে। আগাগোড়াই এই নিয়মের ভিত্তিতে এ দেশে অভিবাসননীতি পরিচালিত হয়েছে।’ ১৫ অক্টোবরের মাঝামাঝি এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি জানান।

অভিবাসন অধিকার নিয়ে কাজ করে—এমন বিভিন্ন সংস্থা নতুন এই নীতিমালার কঠোর সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, এই ঘোষণার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দরিদ্র মানুষেরা। বৈধ হওয়া সত্ত্বেও শুধু আইনি ঝামেলা এড়াতে ও ভয়ে তাদের অনেকেই খাদ্য, স্বাস্থ্য বা শিক্ষার মতো সরকারি অনুদান নিতে চাইবে না। ফলে, যাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, যেমন শিশুরা, তারাই সাহায্য থেকে বঞ্চিত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ এবং অবৈধ অভিবাসন কমানোর ট্রাম্পের প্রচেষ্টার অংশ হিসাবেই অভিবাসন আইনে এসব রদবদল ঘটানো হচ্ছে। নতুন নিয়মের ফলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠার আদর্শকে অনুপ্রাণিত করা হবে বলেই যুক্তি দেখাচ্ছেন কর্মকর্তারা।

ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৮৮২ থেকে ‘পাবলিক চার্জ’ নামে পরিচিত এ নতুন নিয়ম করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন সোমবার এ নিয়ম চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরই এর বিরোধিতা করেছে ‘দ্য ন্যাশনাল ইমিগ্রেশন ল সেন্টার’ (এনআইএলসি)। তারা নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়া ঠেকাতে মামলা করবে বলে জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

ads

ads

Copyright © All rights reserved © 2019 Kansatnews24.com
Theme Developed BY Sobuj Ali