শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন

বিবেচনায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯
  • ১৮ বার পঠিত

১১তম গ্রেডে বেতন ও বৈষম্য নিরসনের দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। মূলত সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই নির্বাচনী ইশতেহারে বেতন বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি দেয় আওয়ামী লীগ। বলা হয়, সব বৈষম্য নিরসন করা হবে। কিন্তু একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর বেশ কিছুদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সে দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, সহকারী শিক্ষকদের ১২তম গ্রেড আর আর প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড দেওয়ার প্রস্তাব করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গ্রেড পরিবর্তনের এ প্রস্তাব দিয়ে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি বাস্তবায়ন হলে তা মানবেন না বলে ইতোমধ্যেই হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন সহকারী শিক্ষকরা।

তবে সূত্র জানিয়েছে, ১১তম গ্রেডে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টির কথা শোনা গেলেও শিক্ষকদের গ্রেড উন্নীতকরণের প্রস্তাবনায় সেটি রাখা হয়নি। পদটি মন্ত্রণালয় এখনো সৃজন না করায় পাঠানো হয়নি বলে সূত্রটি জানিয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেওয়া সুযোগ রয়েছে। সূত্র জানায়, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি মাথায় রেখে শেষ পর্যন্ত তাদের ১১তম গ্রেড বা প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড দেওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ১১তম গ্রেডসহ বৈষম্য নিরসনের দাবিতে তারা যখন আন্দোলন করছিলেন তখন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। সর্বশেষ নির্বাচনী ইশতেহারেও তাদের দাবি পূরণের বিষয়টি যোগ করা হয়। কিন্তু এখনো সে দাবি মানা হয়নি।

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, ১২তম গ্রেড আমরা মানব না। ২০১৫ সাল থেকে আন্দোলন শুরুর পর দাবি মানার ব্যাপারে অসংখ্যবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইশতেহারেও ছিল। আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি। আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি, প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড আমাদেরকে দিতে হবে। এ ব্যাপারে ঈদের পর সহকারী শিক্ষকদের সবগুলো সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানান তিনি।

সহকারী শিক্ষক ফ্রন্টের সভাপতি ইউ এস খালেদা আক্তার বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই প্রধান শিক্ষকের পরের গ্রেড দেওয়ার দাবি করছি। তারা যদি ১০ম পান তাহলে আমাদেরকে ১১তম দিতে হবে। তারা যদি নবম পান, তাহলে আমাদেরকে ১০ম দিতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright © All rights reserved © 2019 Kansatnews24.com
Theme Developed BY Sobuj Ali