শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন

টেকনাফে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাতসহ নিহত ৪

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯
  • ৩০ বার পঠিত

টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন ডাকাত ও একজন ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোররাতে টেকনাফ উপজেলার নুরউল্লাহঘোনা নামক পাহাড় ও মেরিন ড্রাইভ সড়কের দরগাপাড়া এলাকায় এ দুটি ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মাদক ব্যবসায়ী ইমরান মোল্লা (৩২) এবং টেকনাফের রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার আব্দুল হাকিমের সহযোগী জুনায়েদ (৩৬), আয়ুব (৩০) ও মেহেদী হাসান (৩৫)। এ সময় পুলিশের এএসপিসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হনন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ৭টি এলজি অস্ত্র, ৫টি কিরিচ ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানিয়েছেন, রাতে টেকনাফ উপজেলার নুরুল্লাহঘোনা পাহাড়ি এলাকায় একাধিক মামলার পলাতক আসামি ডাকাত আবদুল হাকিম কুতুবদিয়া থানাসহ বিভিন্ন থানার পলাতক আসামি জুনায়েদ, আয়ুব ও মোস্তাকসহ ১০/১৫ জনকে নিয়ে ডাকাতি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামে পুলিশ। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে ডাকাতের গুলিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজোয়ান, ওসি প্রদীপ, পুলিশ পরিদর্শক মানস বড়ুয়া, এএসআই সজিব, কং মেহেদী গুলিবিদ্ধ হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত ডাকাত জুনায়েদ, আয়ুব ও মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করে কক্সবাজারসদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ রোডের দরগার পাড়া নামক স্থানে দুই ইয়াবা কারবারি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ইমরান মোল্লা নামে এক ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছেন। নিহত ইমরান মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলা গিয়ারকুল এলাকার মৃত জহিরুল মোল্লার ছেলে।

এ সম্পর্কে ওসি প্রদীপ কুমার দাস জানান, শনিবার রাতে ওই স্থানে দুই ইয়াবা কারবারি দলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। এ সময় আহত অবস্থায় ইমরান মোল্লাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন: নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পশ্চিম এনায়েতপুর এলাকার মোখলেসুর রহমানের ছেলে সাইফুদ্দিন শাহিন (৩৮) ও টেকনাফ উপজেলার হাতিরঘোনা মৃত বাচা মিয়ার ছেলে মোঃ সিদ্দিক (২৭)।

এ দুই ঘটনায় টেকনাফ থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক মামলা হয়েছে। মৃতদেহগুলো ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
Copyright © All rights reserved © 2019 Kansatnews24.com
Theme Developed BY Sobuj Ali